ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য বিশেষ উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। গত বছর শুরু হওয়া এই উদ্যোগ এবারও অব্যাহত রেখেছে বোর্ড। টিম হোটেলে সেই উপহার পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জাতীয় দলের পেসার তাসকিন আহমেদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে বিসিবিকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের জন্য ঈদের উপহার দেওয়া সত্যিই আনন্দের বিষয়।
উপহার হাতে পেয়ে খুশি হয়েছেন দলের অন্য ক্রিকেটাররাও। বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান উপহার গ্রহণের সময় লাজুক হাসিতে ধন্যবাদ জানান। এ সময় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম মজা করে তাকে পাঞ্জাবিটি দেখাতে বললেও মুস্তাফিজ তাতে খুব একটা সাড়া না দিয়ে দ্রুতই উপহার নিয়ে সরে যান।
সুদৃশ্য একটি উপহার বাক্সে ক্রিকেটারদের জন্য রাখা হয়েছে কাবলি সেট। তাদের স্ত্রীর জন্য দেওয়া হয়েছে কাপড় এবং শিশুদের জন্য রাখা হয়েছে চকলেট। তাসকিন জানান, এমন উপহার পেয়ে তিনি খুবই আনন্দিত। তার ভাষায়, বছরের বড় একটি সময় ক্রিকেটারদের দলের সঙ্গেই কাটে এবং সেই অর্থে দলটিও যেন তাদের আরেকটি পরিবার।
এই উদ্যোগকে খেলোয়াড় ও বোর্ডের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার একটি মাধ্যম হিসেবে দেখছেন দলের ম্যানেজার নাফিস ইকবাল। তিনি বলেন, এসব জিনিস খেলোয়াড়রা নিজেরাও কিনতে পারেন, তবে বোর্ডের পক্ষ থেকে দেওয়া উপহার তাদের যে আনন্দ দেয়, সেটিই আসল বিষয়। ভবিষ্যতে এই আয়োজন আরও বড় পরিসরে করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের উদ্যোগে এবার শুধু ক্রিকেটারদের নয়, তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্যও উপহার পাঠানো হচ্ছে। জানা গেছে, গত এক বছরে জাতীয় দলের হয়ে অন্তত একটি ম্যাচ খেলেছেন এমন প্রায় ৩০ জন ক্রিকেটার এবং তাদের স্ত্রীদের জন্য এই উপহার রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় দলের কোচিং স্টাফ, টিম ম্যানেজমেন্ট সদস্য এবং সাপোর্ট স্টাফরাও এই আয়োজনের অন্তর্ভুক্ত। সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ জনের কাছে এই উপহার পৌঁছাবে।
ক্রিকেটারদের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে রাখা হয়েছে পাকিস্তানের জনপ্রিয় পোশাক ব্র্যান্ড জে ডটের পাজামা-পাঞ্জাবি। একই ব্র্যান্ডের সালোয়ার-কামিজ দেওয়া হয়েছে ক্রিকেটারদের স্ত্রীদের জন্য। উল্লেখ্য, জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ ও মুশফিকুর রহিম এই ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও যুক্ত আছেন।








Discussion about this post