জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার কোর্টনি ওয়ালশকে স্থায়ীভাবে বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে। এতদিন তিনি দলের বোলিং পরামর্শক হিসেবে কাজ করলেও এবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে স্থায়ী কোচিং স্টাফে অন্তর্ভুক্ত করেছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ড।
গত ২৩ জুন অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বোলিং পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ওয়ালশ। সেই টুর্নামেন্টে তার অধীনে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করে দলটি। অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে তারা সুপার এইটে জায়গা করে নেয় এবং ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিটও নিশ্চিত করে।
বিশ্বকাপে সফল পারফরম্যান্সের পরই ওয়ালশকে স্থায়ীভাবে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট। তার অভিজ্ঞতাকে দলের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে বোর্ড।
বর্তমান কোচিং কাঠামোতে প্রধান কোচ জাস্টিন স্যামন্সের অধীনে বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ব্যাটিং সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন ডিওন ইব্রাহিম, আর ফিল্ডিং ও লোয়ার-অর্ডার ব্যাটিং কোচ হিসেবে থাকবেন স্টুয়ার্ট মাতসিকেনিয়েরি।
এছাড়া দলীয় ব্যবস্থাপনায়ও নতুন সংযোজন হয়েছে। জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল ও ঈগলস দলের ম্যানেজার চামু চিভাভাভাকে সিনিয়র দলের ম্যানেজার দিলিপ চৌহানের সহকারী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাবেক অলরাউন্ডার এলটন চিগুম্বুরাকে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রধান কোচ হিসেবেও বহাল রাখা হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলছে জিম্বাবুয়ে। হারারেতে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্টে তারা ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় জয় পেয়েছে, যা টেস্ট ইতিহাসে তাদের সবচেয়ে বড় জয় হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। নতুন অধিনায়ক রিচার্ড নগারাভার নেতৃত্বে সেটিই ছিল তার প্রথম ম্যাচ।









Discussion about this post