চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি শুরু হওয়ার আগেই যেন ফলাফল নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। টানা বৃষ্টি এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মাঠে বল গড়ানোর কোনো সুযোগই তৈরি হয়নি। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করেও যখন পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি, তখন ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট আগেভাগেই ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। এতে দুই দলের অধিনায়ককে ডেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
চট্টগ্রামে কয়েকদিন ধরে চলা ভারী বর্ষণ শুধু ম্যাচ নয়, দুই দলের প্রস্তুতিকেও প্রভাবিত করেছে। অনুশীলনের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ায় বিশেষ করে নিউজিল্যান্ড দলকে ইনডোরেই নিজেদের প্রস্তুতি সারতে হয়েছে। মাঠের পরিস্থিতি এবং আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা মিলিয়ে ম্যাচ আয়োজন কার্যত অসম্ভব হয়ে ওঠে। বজ্রসহ বৃষ্টির কারণে নিরাপত্তার দিক থেকেও ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এই পরিত্যক্ত ম্যাচের ফলে সিরিজের সমীকরণ এখন বাংলাদেশের পক্ষে। প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়ায় তারা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। ফলে শেষ ম্যাচে হারলেও সিরিজ ড্র করার সুযোগ থাকবে, আর জয় পেলে নিশ্চিত হবে সিরিজ জয়ের আনন্দ।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক ছিলেন তাওহিদ হৃদয়। কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যাট হাতে দায়িত্বশীল ও আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথ দেখান তিনি। পারভেজ হোসেন ইমন ও শামীম হোসেনের সঙ্গে তার গড়া দুটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। হৃদয়ের অপরাজিত অর্ধশতক এবং শেষ দিকে দ্রুত রান তোলার সক্ষমতা বাংলাদেশকে লক্ষ্য ছুঁতে সাহায্য করে।
বাংলাদেশের ব্যাটারদের বড় শট খেলার দক্ষতা প্রথম ম্যাচে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পুরো ইনিংসে ৯টি ছক্কা হাঁকিয়ে তারা প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক নিক কেলিও স্বীকার করেছেন, এই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করেছে।
২ মে মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। মিরপুরে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ দল। কেননা, সিরিজে দল এগিয়ে ১-০তে।










Discussion about this post