চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি শুরুর আগেই প্রধান আলোচনায় উঠে এসেছে আবহাওয়া। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে টস এবং ২টায় ম্যাচ শুরুর কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ে টস অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে ম্যাচ শুরুও অনিবার্যভাবেই পিছিয়ে গেছে।
সকালটা তুলনামূলক শান্ত থাকলেও দুপুরের দিকে হঠাৎ করেই শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি, যা ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতিকে ব্যাহত করে। পিচ ও আউটফিল্ডের বড় অংশ ঢেকে রাখা হয়েছে কাভারে, যাতে বৃষ্টির ক্ষতি কমানো যায়।
সর্বশেষ পরিস্থিতিতে বৃষ্টি কিছুটা কমেছে, তবে পুরোপুরি থামেনি। এর মধ্যেই দুই দল টিম হোটেল থেকে স্টেডিয়ামে পৌঁছে গেছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে-পরিস্থিতি অনুকূলে এলে দ্রুত খেলা শুরু করার প্রস্তুতি রয়েছে।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় আশাবাদ তৈরি হয়েছে যে, বৃষ্টি থামলেই দ্রুত মাঠ খেলার উপযোগী করা সম্ভব হবে। তবে সার্বিক আবহাওয়ার চিত্র এখনও অনিশ্চিত। দেশজুড়ে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার প্রভাব থাকায় ক্রিকেট আয়োজন কঠিন হয়ে উঠেছে, এবং চট্টগ্রামও এর বাইরে নয়।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালীন সময়জুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি-প্রায় ৯৪ শতাংশ। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, সঙ্গে রয়েছে বজ্রপাতের আশঙ্কাও। আকাশ সারাদিন মেঘাচ্ছন্ন থাকার সম্ভাবনা থাকায় ম্যাচ আদৌ স্বাভাবিকভাবে শুরু বা সম্পন্ন হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। যদিও সন্ধ্যার দিকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিত রয়েছে, তবুও পুরো ম্যাচ আয়োজন সম্ভব হবে কিনা তা নির্ভর করছে আবহাওয়ার আচরণের ওপর।
এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই সিরিজের প্রেক্ষাপটও গুরুত্বপূর্ণ। নিউজিল্যান্ড ইতোমধ্যে ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হেরে গেছে বাংলাদেশের কাছে। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও পরাজয়ের ফলে এখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা। ফলে আজকের ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য সিরিজ নিশ্চিত করার সুযোগ হয়ে উঠতে পারত, যদি আবহাওয়া বাধা না হয়ে দাঁড়ায়।
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে ২ মে, মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। তবে তার আগে চট্টগ্রামের এই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করবে মূলত আকাশের পরিস্থিতিই।










Discussion about this post