পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটে যে আত্মবিশ্বাসের ছাপ দেখা গিয়েছিল, তারই প্রতিফলন মিলেছে সর্বশেষ আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রকাশিত এই হালনাগাদে বাংলাদেশের একাধিক ক্রিকেটার উন্নতির ধারায় জায়গা করে নিয়েছেন, যেখানে সবচেয়ে আলোচিত নাম অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
পুরো সিরিজে ধারাবাহিক ও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে দলকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখেন মিরাজ। সেই পারফরম্যান্স তাকে বোলারদের তালিকায় সেরা দশে ফিরিয়ে এনেছে। একই সঙ্গে অলরাউন্ডারদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসে নিজের সামর্থ্যের আরেকটি প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।
এই সিরিজে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে নতুন আলো ছড়িয়েছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। বিশেষ করে প্রথম ম্যাচে তার বিধ্বংসী বোলিং ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সেই পারফরম্যান্সের প্রতিদান হিসেবে র্যাঙ্কিংয়ে বড় উল্লম্ফন ঘটিয়ে এখন শীর্ষ একশর ভেতরে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
অভিজ্ঞ পেসারদের অবদানও কম নয়। শেষ ম্যাচে ম্যাচজয়ী বোলিং করা তাসকিন আহমেদ নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন, আর ধারাবাহিকতা দেখিয়ে এগিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। বাংলাদেশের পেস আক্রমণে এই সমন্বয় ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।
ব্যাটিংয়েও এসেছে পরিবর্তনের ইঙ্গিত। তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান সেঞ্চুরি করে শুধু ম্যাচেই নয়, র্যাঙ্কিংয়েও বড় উন্নতি করেছেন। তার সঙ্গে তাওহিদ হৃদয় ও লিটন দাস-এর অগ্রগতি দলীয় ব্যাটিং শক্তির বিকাশকে সামনে এনেছে।
সিরিজে হারলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন সালমান আলি আঘা। তার সেঞ্চুরি তাকে ব্যাটারদের তালিকায় শীর্ষ দশে নিয়ে গেছে। একই দলে থাকা শাহিন শাহ আফ্রিদি-ও কিছুটা উন্নতি করেছেন।
বিশ্ব ক্রিকেটের সামগ্রিক চিত্রে বড় পরিবর্তন না এলেও শীর্ষস্থানগুলো অপরিবর্তিত রয়েছে। বোলারদের তালিকায় আধিপত্য ধরে রেখেছেন রাশিদ খান, ব্যাটারদের তালিকায় শীর্ষে আছেন ড্যারিল মিচেল এবং অলরাউন্ডারদের তালিকায় এগিয়ে আজমাতউল্লাহ ওমারজাই।
এদিকে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও পারফরম্যান্সের ছাপ পড়েছে র্যাঙ্কিংয়ে। মিচেল স্যান্টনার তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছেন। একই সঙ্গে লকি ফার্গুসন ও ডেভন কনওয়ে-ও এগিয়েছেন নিজেদের অবস্থান থেকে।










Discussion about this post