বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম বড় নাম সাকিব আল হাসান-এর দেশে ফেরা নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার ফেরার সম্ভাবনা নতুন করে সামনে এসেছে, যা ঘিরে ক্রিকেট অঙ্গনে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও প্রত্যাশা।
সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান সিরিজে সাকিবকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, তবে সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। সামনে রয়েছে নিউজিল্যান্ড সিরিজ, আর সেই সিরিজকে ঘিরেই আবারও তার ফেরার প্রসঙ্গ আলোচনায় এসেছে। জানা গেছে, সাকিবের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তার আইনজীবী সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বিসিবিতে জমা দিয়েছেন, যা পরে পাঠানো হয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে।
এই পরিস্থিতিতে সরকারের অবস্থানও কিছুটা নমনীয় বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তবে সাকিবের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে আইনি বিষয়গুলোই মূল শর্ত হিসেবে সামনে এসেছে। গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘সাকিবের বিষয়টি রাষ্ট্রীয় একটি সিদ্ধান্ত। তার (নামে) যে মামলাগুলো রয়েছে সে তার ব্যক্তিগতভাবে সেই মামলাগুলো মোকাবেলা করে, মামলাগুলি মোকাবেলা করে যদি সে (নির্দোষ হয়ে) ফিরে আসে সেখানে আমরা নমনীয় থাকব।’
এর আগে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিমও সাকিবের দ্রুত দেশে ফেরার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আবার জাতীয় দলের জার্সিতে তাকে দেখা যেতে পারে-এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও এই আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের আগে সাকিব আল হাসান সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সেই সময় তিনি ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়নে নির্বাচিত হয়েছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়, যার মধ্যে গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। এসব কারণেই দীর্ঘদিন দেশে ফেরা হয়নি তার, এমনকি জাতীয় দল থেকেও দূরে রয়েছেন।










Discussion about this post