টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে শক্তির প্রদর্শনী করল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের পথে এক পা এগিয়ে গেল প্রোটিয়ারা। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান তোলা ক্যারিবীয়দের লক্ষ্য তারা টপকে যায় মাত্র ১৬.১ ওভারে, হাতে থাকে ৯ উইকেট ও ২৩ বল।
আজ ১৭৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওপেনিং জুটিতে অধিনায়ক এইডেন মার্করাম ও কুইন্টন ডি কক ৪৮ বলে ৯৫ রান যোগ করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। ডি কক ২৪ বলে ৪৭ রান করে ফিফটির খুব কাছে গিয়ে আউট হন।
এরপর রায়ান রিকেলটনকে সঙ্গে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন ৮২ রানের জুটি গড়ে জয় নিশ্চিত করেন মার্করাম। অধিনায়ক ৪৬ বলে ৮২ রানে অপরাজিত থাকেন, তার ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও চারটি ছক্কা। রিকেলটন ২৮ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে মারক্রামের হাতে।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাওয়ার প্লের মধ্যেই চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। সাই হোপ ৬ বলে ১৬ রান করেন, শিমরন হেটমায়ার করেন মাত্র ৩। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় বড় সংগ্রহের আশা ক্ষীণ হয়ে আসে।
তবে সপ্তম উইকেট পতনের পর জেসন হোল্ডার ও রোমিও শেফার্ড দারুণ লড়াই গড়ে তোলেন। অষ্টম উইকেটে তারা যোগ করেন ৮৯ রান, যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এই উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি। হোল্ডার ৩১ বলে ৪৯ রান করে শেষ ওভারে রান আউট হয়ে অর্ধশতক মিস করেন। শেফার্ড শেষ বলে চার মেরে ৩৭ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন।
ব্রেন্ডন কিং ২১, রোভম্যান পাওয়েল ৯, রোস্টন চেজ ২ ও শেরফাইন রাদারফোর্ড ১২ রান করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে লুঙ্গি এনগিদি তিনটি এবং কাগিসো রাবাদা ও কোরবিন বোশ দুটি করে উইকেট নেন।
এই জয়ে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারত ও জিম্বাবুয়ে রয়েছে পরের দুটি স্থানে। দিনের অন্য ম্যাচে ভারত যদি জিম্বাবুয়েকে হারায়, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত হবে দক্ষিণ আফ্রিকার। এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে একমাত্র অপরাজিত দলও তারা।










Discussion about this post