২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নির্ধারিত হয়েছিল ২০২৮ আসরের যোগ্যতা অর্জনের পথ। নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে ওঠা আট দল, স্বাগতিক দুই দেশ এবং র্যাঙ্কিং থেকে আরও দুই দল সরাসরি সুযোগ পাবে। তবে স্বাগতিক হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের জায়গা নিশ্চিত ছিল।
নিউজিল্যান্ড আবার সুপার এইটেও ওঠায় র্যাঙ্কিং থেকে অতিরিক্ত একটি দলের সুযোগ তৈরি হয়। ফলে র্যাঙ্কিং তালিকার পরের তিন দল আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড সরাসরি টিকিট পেয়ে যায়।
২০২৬ সালের সুপার এইটে জায়গা পাওয়া দলগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান। এদের সঙ্গেই ২০২৮ আসরে দেখা যাবে বাংলাদেশকে।
চলমান বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না থাকা নিয়ে সমর্থকদের হতাশা ছিল প্রবল। একই সঙ্গে র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে পড়লে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কাও ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই শঙ্কা কাটল।
এই সুখবর পেয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের টিম অপারেশন্স ম্যানেজার নাফিস ইকবাল। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘দুঃখজনকভাবে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমরা অংশ নিতে পারিনি। তবুও ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করা নিঃসন্দেহে একটি বড় সাফল্য।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘এই অর্জন প্রমাণ করে-চ্যালেঞ্জ আমাদের থামাতে পারে না, বরং আরও সংগঠিত ও দৃঢ় করে তোলে। গত এক বছরের ধারাবাহিক পরিশ্রম, পরিকল্পনা ও দলগত ঐক্যের ফল আজ আমরা পাচ্ছি। খেলোয়াড় ও টিম ম্যানেজমেন্টকে আন্তরিক অভিনন্দন। দৃঢ় নেতৃত্বের জন্য লিটনকে বিশেষ শুভেচ্ছা। জাতীয় দলের টিম অপারেশন্স ম্যানেজার হিসেবে আমি আমার দলকে নিয়ে সত্যিই গর্বিত।’
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স ও হালনাগাদ র্যাঙ্কিংকে ভিত্তি করে ২০২৮ সালের বিশ্বকাপের সরাসরি অংশগ্রহণকারী দল নির্ধারণ করেছে আইসিসি। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে বসতে যাওয়া এই আসরে ১২টি দল সরাসরি খেলবে, আর বাকি ৮টি দলকে খেলতে হবে বাছাইপর্ব। র্যাঙ্কিংয়ের সুবিধা নিয়ে সেই সরাসরি তালিকায় জায়গা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ।
আইসিসির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত র্যাঙ্কিং হিসাব করা হবে। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের কোনো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নির্ধারিত নেই। ফলে তাদের পয়েন্ট বা অবস্থান বদলে যাওয়ার সুযোগও নেই। সেই কারণে র্যাঙ্কিংয়ের ১০ম, ১১তম ও ১২তম দল হিসেবে তিন দেশই সরাসরি ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।










Discussion about this post