রমজানের প্রথম দিনের বিকেলেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কার্যালয়ে একে একে হাজির হন চট্টগ্রাম রয়্যালসের ক্রিকেটাররা। মিরপুরে বোর্ডের কার্যালয়ে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিম, আম্পায়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান মিঠু এবং গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হাবিবুল বাশার সুমনের কাছ থেকে তানভীর ইসলাম, শরীফুল ইসলাম ও নাঈম শেখরা নিজেদের চেক গ্রহণ করেন। চেক হাতে নেওয়ার পর বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে করমর্দনও করেন তারা।
চট্টগ্রামের ক্রিকেটারদের হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতিই জানান দিচ্ছিল, পারিশ্রমিক বুঝে পেয়ে স্বস্তিতে আছেন তারা। এই দলটিই নাঈম শেখকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় দলে ভিড়িয়েছিল, যা বিপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকের একটি। বিপুল অঙ্কের এই অর্থ পাওয়া নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা ছিল কি না-এমন প্রশ্নে উপস্থিত সবার মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়।
উত্তরে নাঈম বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে হয়নি (বিপিএলের পারিশ্রমিক নিয়ে দুশ্চিন্তা)। আমরা ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করেছি। তারা খুব ভালোভাবেই ব্যাপারটা সামলেছেন। যখন বোর্ড দায়িত্ব নিয়েছে, তখন আমরা দুশ্চিন্তা করিনি। ক্রিকেটাররা মাঠের পারফরম্যান্সেই মনোযোগী হয়েছে।’
টুর্নামেন্ট শুরুর আগমুহূর্তে মালিকানাশূন্য হয়ে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। পরে দ্রুতই ফ্র্যাঞ্চাইজিটির দায়িত্ব নেয় বিসিবি। অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর পারিশ্রমিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য না করলেও চট্টগ্রামের খেলোয়াড়দের অর্থপ্রাপ্তি নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে বলে জানান নাঈম।
২৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার বলেন, ‘এবার সত্যি বলতে আগে যেটা পেয়েছি, নিয়ম অনুযায়ী পেয়েছি। খেলার আগে ২৫ শতাংশ, মাঝে ২৫ শতাংশ। এক মাস-দেড় মাসের মধ্যে পেয়েছি। সময় এদিক-ওদিক হলেও পেয়েছি। তবে অন্যদেরটা বলতে পারব না।’
২০২৬ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালস দল হিসেবে ছিল দারুণ সমন্বিত। পেসার শরীফুল ইসলাম নেন ২৬ উইকেট, যা এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড। অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট ও বল হাতে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তবে ২৩ জানুয়ারি ফাইনালে রাজশাহীর কাছে ৬৩ রানে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় চট্টগ্রামকে।










Discussion about this post