টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্ব চলমান থাকলেও এবারের আসরে দেখা যায়নি বাংলাদেশকে। নানা নাটকীয়তার পরও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি টাইগাররা। মূলত ভারতের মাটিতে নিরাপত্তাজনিত কারণে খেলতে যায়নি বাংলাদেশ দল। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কায় নিজেদের ম্যাচ আয়োজনের দাবি তোলা হলেও সেটি গ্রহণ করেনি আইসিসি। পুরো বিষয়টি ঘিরে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা।
বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিন্নধর্মী ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফরচুন বরিশালের মালিক মিজানুর রহমান। তার বক্তব্যে উঠে এসেছে প্রতারণা, ভুল বোঝানো এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির আশঙ্কা।
মিজানুর বলেন, ‘আমাদের খেলোয়াড়রা এবার বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি। দেশি এবং বিদেশি কিছু চক্রের প্রতারণার শিকার হয়েছি আমরা। আমাদেরকে ভুল বুঝিয়ে খেলা থেকে বঞ্চিত করেছে। বিশ্বকাপ (না খেলে) আমাদের ক্রিকেটকে অন্তত ২০ বছর পেছনে ফেলে দিয়েছি।’
তার এই মন্তব্য ইতোমধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে অনুপস্থিতি বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ও উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। আবার কেউ কেউ নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থনও করছেন।
এদিকে চলতি বছরের বিপিএলে অংশ নেয়নি মিজানুর রহমানের মালিকানাধীন দল। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দল না খেলার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদেরকে আগেই বলেছিলাম আমরা এই বছর বিপিএল খেলিনি। কারণ হচ্ছে সময় স্বল্পতা, পাশাপাশি আমাদের বোর্ডটা (বিসিবির বর্তমান কমিটি) কাঠামোগতভাবে বৈধ ছিল না। সেই জন্যই খেলা থেকে আমাদের ফরচুন বরিশালের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছি।’
ভবিষ্যৎ নিয়ে অবশ্য আশাবাদী এই ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক। উপযুক্ত পরিবেশ ও কাঠামোগত স্বচ্ছতা নিশ্চিত হলে আবারও অংশ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।
মিজান বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি আসুন আমরা সবাই মিলে আমাদের পুরানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনি। ক্রিকেটের যে পুনর্জাগরণ হয়েছিল সেটিকে আবারও উজ্জীবিত করি। আপনারা একটা সুন্দর বোর্ড উপহার দেন যেন আমরা খেলতে যেতে পারি, পরবর্তী বছর খেলতে পারি। এই প্রত্যাশা রাখছি।’










Discussion about this post