২০২৬ বিপিএল শেষ হওয়ার পর পরিসংখ্যানের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মানসিক লড়াইয়ের গল্প। ১১ ম্যাচে ১৮৭ রান তার ব্যাটের অবদান দেখালেও, এই সংখ্যার আড়ালে লুকিয়ে ছিল অনিশ্চয়তা, হতাশা আর ফিরে আসার সংগ্রাম, যার কথা নিজেই জানালেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।
বিপিএল শুরুর আগের সময়টা যে কতটা কঠিন ছিল, সেটার ঝলক মিলেছে তার সাম্প্রতিক ফেসবুক পোস্টে। নিজের অফিশিয়াল পেজে পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ার সময়ের একটি পুরোনো ছবি শেয়ার করে মাহমুদউল্লাহ লেখেন, “জিমে পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ার কার্যক্রম চলার সময় সেলফিটা তুলেছিলাম। তখন বেশ হতাশ ছিলাম। এবারের (২০২৬) বিপিএলে খেলতে পারব কি না, সেটা নিয়ে ভীষণ সন্দিহান ছিলাম। হাঁটুতে একটা চোট ছিল।”
হাঁটুর চোটের কারণে মাঠে ফেরা নিয়ে সংশয় থাকলেও বিশ্বাসের জায়গা হারাননি তিনি। বরং সেই কঠিন সময়টাই তাঁকে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে বলে জানান মাহমুদউল্লাহ।
একই পোস্টে তিনি লেখেন, “অনেক কঠিন একটা সময় পার করছিলাম তখন (পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ার সময়)। তবে আল্লাহ আমাকে পুনরায় ভাবতে শিখিয়েছেন। আমি চেষ্টা করে গিয়েছি আর সবকিছু আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ আমি খেলতে পেরেছি এবং আল্লাহ আমাকে আবারও সম্মানিত করেছেন। সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়।”
২০২৬ বিপিএলে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে থাকা মাহমুদউল্লাহ শুরুতে দল না পাওয়ায় তাঁর অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছিল। পরে রংপুর রাইডার্স তাঁকে দলে নেয়। সুযোগ পেয়ে নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে দলের মাঝের ওভারগুলো সামলান তিনি। রংপুরের হয়ে ৩৭.৪ গড়ে ও ১৩৫.৩৯ স্ট্রাইকরেটে ১৮৭ রান করেন এবং একটি ফিফটিও তুলে নেন।
রংপুর রাইডার্স এলিমিনেটরে সিলেট টাইটানসের কাছে হেরে বিদায় নিলেও মাহমুদউল্লাহর কাছে এই বিপিএল হয়ে থাকবে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার এক অধ্যায়।









Discussion about this post