ছুটি কাটিয়ে ফিরে তামিমের ব্যাটে ৩০

Tamim.jpg

ক্রিকবিডি২৪.কম রিপোর্ট

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে কথা বলেনি তার ব্যাট। এরপর শ্রীলঙ্কা সফরেও ব্যর্থ তামিম ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সাকিব আল হাসানের পরামর্শ বিশ্রামে যান তিনি। সরিয়ে নেন দেশের মাঠে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে। খেলেন নি আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টেও। সেই ছুটি শেষে আবারও মাঠের মাঠের লড়াই তামিম।

জাতীয় ক্রিকেট লিগ দিয়ে মাঠে ফিরেছেন এই তারকা ওপেনার। চট্টগ্রাম বিভাগের হয়ে নামেন ব্যাট হাতে। শুরুটা আস্থার সঙ্গে করলেও খেলতে পারেনি দীর্ঘক্ষণ। বলতে গেলে বাজে শটে নিজের উইকেট বিলিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন এ বাঁহাতি। ফেরাটা মনের মতো হয়নি তার।

২১তম জাতীয় লিগের খেলা বৃষ্টির কবলে পড়ে জাতীয় ক্রিকেট লিগের উদ্বোধনী দিনের খেলা। দ্বিতীয় স্তরের এক ম্যাচে বলই গড়ায়নি মাঠে। অন্য ম্যাচে প্রায় অর্ধেক দিনের খেলা ভেসে যায়। তাতে হতাশ করেছেন তামিম ও মুমিনুল হক। এদিন বোলিংয়ে ভাল করলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে প্রথম দিনের খেলা শেষে গতকাল ৩ উইকেটে ১৪৭ রান করেছে চট্টগ্রাম। পিনাক ঘোষ ৩০ ও তাসামুল হক ১৭ রানে ব্যাট করছেন।

বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জাতীয় লিগের দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে চট্টগ্রাম। ঘাসের উইকেটে শুরুতে বেশ সুইং পেয়েছেন শহিদুল ইসলাম ও মেহরাব হোসেন। তবে তারা খুব একটা পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি তামিমকে।

খেলার প্রথম ওভারে শহিদুলের করা লেগ স্টাম্পে বল পেয়ে ফ্লিক করে চার হাঁকান তামিম। প্রথম ঘণ্টায় পরের সময়টুকু দেখে খেলেন এই বাঁহাতি এই ওপেনার। ১৪তম ওভারে মেহরাবকে দারুণ এক স্ট্রেইট ড্রাইভে চারে পরিণত করেন। পরে আরাফাত সানিকে স্লগ সুইপ করে তুলে নেন আরেকটি চার। ২৬ রান নিয়ে লাঞ্চে যান তিনি।

লাঞ্চের পরই ভুল করেন তামিম। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের স্পিনে প্রলুব্ধ হয়ে এ বাঁহাতি অফ স্পিনারের শর্ট বলে পুল করতে যান। কিন্তু ঠিকমতো টাইমিং হয়নি। যে কারণে সহজ ফিরতি ক্যাচ দেন তিনি। ফেরার আগে চট্টগ্রামের এ ওপেনার করেন ১০৫ বলে ৩০ রান।

১৮ ওভার বোলিং করে ৪০ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। রাজশাহীতে দ্বিতীয় স্তরের আরেক ম্যাচে বৃষ্টির কারণে প্রথম দিন মাঠে নামতে পারেনি বরিশাল ও সিলেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস: ৫১ ওভারে ১৪৭/৩ (তামিম ৩০, সাদিকুর ৫১, পিনাক ৩০*, মুমিনুল ১১, তাসামুল ১৭*; শহিদুল ১০-০-৩৭-০, মেহরাব ৭-২-২১-০, সৈকত ৪-১-১৮-০, মাহমুদউল্লাহ ১৮-৫-৪০-৩, সানি ১২-৪-২৫-০)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *